
গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়, তখন ঠাণ্ডা থাকার জন্য 1.5 Ton AC বা Air Cooler একটি অপরিহার্য যন্ত্র হয়ে ওঠে। তবে প্রশ্ন আসে এসি নাকি এয়ার কুলার? কোনটি বিদ্যুৎ বিলের দিক থেকে বেশি সাশ্রয়ী? আসুন, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে তুলনা করে দেখে নেওয়া যাক এবং কোনটি কিনলে বেশি সুবিধা হবে সেই সম্পর্কেও জানিয়ে দেওয়া হল।
1.5 Ton AC না Air Cooler কোনটা কিনলে বিদ্যুৎ বিল কমবে?
1.5 টন এসি সাধারণত প্রতি ঘন্টায় প্রায় 1.5 ইউনিট বা 1500 ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে, যেখানে একটি সাধারণ এয়ার কুলার খরচ করে মাত্র 0.2 থেকে 0.4 ইউনিট 200 – 400 ওয়াট অর্থাৎ কুলার ব্যবহার করলে আপনি প্রতিদিনের খরচে উল্লেখ যোগ্যভাবে সাশ্রয় করতে পারবেন। কিন্তু যেখানে গরম বেশি সেই জায়গায় একটু বেশি লিটারের কুলার কিনে নেওয়ার মাধ্যমে সকলের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কুলার কবে উপযুক্ত আর এসি কবে দরকার?
এয়ার কুলার উপযুক্ত যেখানে হিউমিডিটি কম যেমন – উত্তর ও পশ্চিম ভারত এবং জানালা গুলোর মাধ্যমে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢোকানো যায়। এসি দরকার হয় যেখানে যদি আপনি এমন এলাকায় থাকেন যেখানে প্রচণ্ড গরম এবং আর্দ্রতা বেশি যেমন – পশ্চিমবঙ্গ, তাহলে এসি একমাত্র কার্যকর বিকল্প। আজকাল বাজারে ইনভার্টার এসি পাওয়া যায় যা বিদ্যুৎ কম খরচ করে। যদিও দাম বেশি, তবে দীর্ঘ মেয়াদে এটি কিছুটা সাশ্রয় দিতে পারে। তবুও, এয়ার কুলারের তুলনায় এসির বিদ্যুৎ খরচ অনেক বেশি।
দেখুন কোনটা আপনার জন্য বেশি উপযুক্ত
আপনার যদি বাজেট কম হয় এবং বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চিন্তা থাকে, তাহলে কুলারই সেরা, আপনি যদি হাই হিউমিডিটিতে থাকেন, কুলারে আরাম না পান, তাহলে ইনভার্টার এসি বিবেচনা করুন, যদি নিয়মিত ঠান্ডা রাখতে হয় বিশেষ করে রাতে এসি বেশি কার্যকর, এয়ার কুলার সস্তা, কম খরচে সার্ভিসিং হয়, নিজেই পরিষ্কার করা যায়, এসি বছরে অন্তত একবার সার্ভিস করাতেই হবে এবং সেই খরচ কুলার থেকে ব্যয় বহুল।
সবুজ সাথী প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছাত্র ছাত্রীদের ফ্রি সাইকেল দেবে
সাশ্রয়ী বাজেট ও বিদ্যুৎ কমাতে চাইলে এয়ার কুলারই হলো সেরা পছন্দ! তবে আরামের প্রশ্নে এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ক্ষেত্রে এসি ছাড়া গতি নেই বলেই এখন মনে করা হয়, আপনার ব্যবহারের ধরন, পরিবেশ ও বাজেট বুঝে সিদ্ধান্ত নিন বিদ্যুৎ খরচ কমাতে কুলার জয়ী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনার প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে।



