প্রকল্প

Sikshashree Scheme – শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে সকল পড়ুয়াদের দেওয়া হচ্ছে বার্ষিক স্কলারশিপ, কীভাবে আবেদন করবেন দেখুন।

Adv

Sikshashree Scheme এ কত টাকা পাবেন?

কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, শিক্ষাশ্রী প্রকল্প (Sikshashree Scheme) সহ একাধিক প্রকল্প চালু করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে। বর্তমানে এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন। তবুও এখনও বহু মানুষ অনেক প্রকল্প সম্পর্কে জানেন না। তাই সুবিধাও নিতে পারছেন না। তেমনই একটি প্রকল্প হল Sikshashree Scheme. এই প্রকল্পের নাম হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন, কিন্তু কি সুবিধা পাওয়া যাবে? কারা এই সুবিধা নিতে পারবেন? সেই নিয়ে এই প্রতিবেদনে জানানো হচ্ছে। বিশেষত রাজ্যের পড়ুয়াদের পড়াশোনার খরচ বহন করবে এই প্রকল্প।

প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট অনুদান প্রদান করা হবে প্রকল্পের আবেদনকারীদের। কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে যেরকম অবিবাহিত স্কুল পড়ুয়াদের (মেয়েদের) অনুদান দেওয়া হয়। তেমনই এই প্রকল্পের মাধ্যমেও স্কুল পড়ুয়াদের টাকা প্রদান করা হবে, তবে সকল পড়ুয়া এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল সমাজে আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষিত করা।

Ad

শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের সুবিধা কারা গ্রহণ করতে পারবেন?
১) পশ্চিমবঙ্গের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের রাজ্যের তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতিভুক্ত (SC/ ST) ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রহণ করতে পারবেন।
২) রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
৩) সরকার স্বীকৃত যে কোনো স্কুলের পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত ছাত্র-ছাত্রী।
৪) পরিবারের বার্ষিক আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার নিচে হতে হবে।
৫) অন্য কোনো স্কলারশিপ প্রাপক হবে না।
উল্লেখ্য, হোস্টেলে থাকলে আবেদন জানানো যাবে না।

বাংলার মানুষের জন্য 385 কোটি টাকা দিলো নবান্ন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কোন কোন প্রকল্পের টাকা পাবেন দেখে নিন।

Sikshashree Scheme এ আবেদনের জন্য নথিপত্র-
১) জাতিগত শংসাপত্র,
২) আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট,
৩) আয়ের প্রমাণপত্র,
৪) আধার কার্ড,
৫) আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

কত টাকা প্রদান করা হবে?
আবেদনকারীদের বার্ষিক ৮০০ টাকা দেওয়া হবে।
আবেদন পদ্ধতি-
শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণ করার জন্য নিজের স্কুলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। জমা দেওয়া আবেদনপত্রগুলি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখে, সমস্ত তথ্য একসঙ্গে নিয়ে মহকুমা অফিসের মাধ্যমে জেলায় প্রকল্প আধিকারিক এর কাছে পাঠানো হবে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার জন্য সকলকে মানতে হবে এই নিয়ম, জানিয়ে দিলো রাজ্য সরকার।

আরো বিশদে জানতে হলে শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ওপেন করে চেক করা যাবে।
http://202.66.172.169/
এই সংক্রান্ত খবরের নতুন আপডেট সবার আগে পেতে হলে এই ওয়েবপোর্টালটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

string(92) ""