প্রকল্প

বাংলা শস্য বীমা প্রকল্পে কৃষক বন্ধুদের ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হবে। কবে ও কীভাবে টাকা পাওয়া যাবে?

Government of West Bengal

রাজ্যের কৃষকদের জন্য সুখবর! রাজ্য সরকারের বাংলা শস্য বীমা প্রকল্প (Bangla Shasya Bima Scheme) এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের (Farmers) হাতে এবার ক্ষতিপূরণের টাকা তুলে দেওয়া হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা শস্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে যারা সমস্যায় পড়েছেন, তারা এবার সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাবেন আর্থিক সহায়তা।

বাংলা শস্য বীমা কারা পাবেন এই ক্ষতিপূরণ?

এই বীমা প্রকল্পের আওতায় থাকা কৃষকরাই এই ক্ষতিপূরণ পাবেন। মূলত যাঁদের জমিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে শস্যের ক্ষতি হয়েছে, তাঁদের তথ্য রাজ্য সরকারের কাছে রয়েছে এবং সেই গুলি যাচাই বাছাই করে বীমার টাকা পাঠানো হবে।কৃষককে বাংলা শস্য বীমা প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত থাকতে হবে, নির্দিষ্ট মরশুমে চাষ হওয়া ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষি দফতর দ্বারা তথ্য যাচাই হয়ে থাকতে হবে।

কখন থেকে টাকা দেওয়া হবে?

সূত্র অনুযায়ী, জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া শুরু হবে। যাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো হবে। অনেক কৃষক ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণের SMS পেয়েছেন। ১৫ জুলাই ২০২৫ থেকে রাজ্যে বণ্টন শুরু, ধাপে ধাপে ব্লকভিত্তিক টাকা পাঠানো হবে, প্রাপ্য কৃষকদের মোবাইলে এসএমএস আসবে।

কীভাবে টাকা পাওয়া যাবে?

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি ক্ষতিপূরণ জমা হবে। রাজ্য সরকার DBT পদ্ধতিতে এই অর্থ পাঠাবে অর্থাৎ কোনও মাঝখানে অফিসে যেতে হবে না। বাংলা শস্য বীমা প্রকল্পের ডেটাবেস অনুযায়ী একাউন্টে টাকা জমা হবে, সংশ্লিষ্ট কৃষকের মোবাইলে ব্যাংকের মেসেজ যাবে, টাকা জমা না হলে স্থানীয় কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে?

ক্ষতির পরিমাণ অনুযায়ী কৃষকদের বীমার টাকা দেওয়া হবে। ফসল অনুযায়ী এই পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। এখনও পর্যন্ত প্রতিটি কৃষক গড়ে ৩,৫০০ টাকা থেকে ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন। একাধিক ফসল থাকলে একাধিক বীমা কভারেজ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ মিলবে, সম্পূর্ণ ফসল নষ্ট হলে পুরো পরিমাণ বীমা টাকা দেওয়া হবে।

মেয়েরা ১১০০০ টাকা পাবে লাডলি যোজনায়। যোগ্যতা, বয়স ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন

উপসংহার

বাংলা শস্য বীমা প্রকল্প কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে রাজ্য সরকারের একটি বড় পদক্ষেপ। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। যদি আপনি এই প্রকল্পের আওতায় থাকেন, তাহলে এসএমএস না আসলেও ওয়েবসাইট বা কৃষি অফিসের মাধ্যমে আপনার তথ্য যাচাই করুন।

Related Articles