প্রকল্প

বড় বদল কেন্দ্রের বিভিন্ন সেভিংস স্কিমে, এই কাজ না করলে পাবেন না টাকা।

Adv

কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছু নিয়ম বদল করল সেভিংস স্কিম গুলিতে। যেমন সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস (Senior Citizen Savings Scheme) স্কিম, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF), সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা (Sukanya Samriddhi Yojna), মহিলা সম্মান যোজনা (Mahila Somman Yojna) এর সাথে সাথে পোস্ট অফিসের বিভিন্ন সঞ্চয় স্কিন গুলির ক্ষেত্রে। বর্তমান যুগে বৃদ্ধ থেকে যুবক সকলেরই টাকার প্রয়োজন এবং সকলেই উপার্জনের সাথে সাথে সঞ্চয় করেন বিভিন্ন ব্যাংকে, পোস্ট অফিসের বিভিন্ন স্কিমে। আয় এবং ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখবার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বদল করেছে এপ্রিল মাস থেকে।

সেভিংস স্কিমে বিনিয়োগ করতে চান?

অর্থাৎ এপ্রিল মাসের পরে যারা এই স্কিম গুলিতে বিনিয়োগ করতে চান তাদেরকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে এই নিয়মগুলি। না হলে টাকা ম্যাচিওরের সময় বড় বিপদ হতে পারে। যে ব্যক্তির কাছে আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড না থাকবে তারা কোনভাবেই এই প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন না। শুধু তাই নয় আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড আমাদের দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নথি।

Ad

আধার কার্ড হলো এদেশের মানুষের আসল পরিচয় এবং প্যান কার্ড হল মানুষের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং দ্বিতীয় পরিচয় পত্র। জানা থাকলে মানুষ অর্থনৈতিক কোন কাজ করতে পারবেন না। যদি কোন ব্যক্তির কাছে এই দুটি প্রয়োজনীয় নথি না থাকে তাহলে অবশ্যই তাকে এই দুটোর নথি দ্রুত তৈরি করে ফেলতে হবে। এপ্রিল মাসের আগে এই স্কিম গুলিতে বিনিয়োগের জন্য কোন নথির প্রয়োজন হতো না।

কিন্তু তারপর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এই দুটি নথিকে গুরুত্বপূর্ণ করে দিয়েছেন। কেন্দ্র অর্থমন্ত্রক একটি নোটিশ এ জানিয়ে দিয়েছেন কোন বিনিয়োগকারীকে এই সেভিংস স্কিম গুলিতে বিনিয়োগের আগে আধার নাম্বার জমা দিতে হবে এবং সীমার বেশি বিনিয়োগ করতে হলে সে ক্ষেত্রে প্যান কার্ড দেখাতে হবে।

আপনার PPF একাউন্ট বড়োসড় ক্ষতির মুখে কিনা, কিভাবে বুঝবেন?

পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড কিভাবে ওপেন করবেন?
পোস্ট অফিস কিংবা কোন রাষ্ট্র ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকলেই পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আধার কার্ড প্যান কার্ড একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা করতে হবে এবং এই একাউন্টে যে পরিমাণ টাকা আপনি রাখতে চান তা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যেই জমা করতে হবে।

সুকন্যা সেভিংস স্কিমে কীভাবে আবেদন জানাতে হবে?

  1. কন্যার বার্থ সার্টিফিকেট
  2. আবেদনকারের ঠিকানার প্রমাণ পত্র আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড প্রয়োজন।
  3. এরপর ২১ বছরের এই স্কিমে ব্যক্তিকে অন্যরা বছর টাকা জমা দিতে হবে এবং বাকি ছয় বছর টাকা না জমা দিলেও সুদ পেয়ে যাবেন
  4. কন্যার ১৫ বছর বয়স হলে বিনিয়োগের উপর থেকে পঞ্চাশ শতাংশ টাকা আপনি তুলতে পারবেন এবং কন্যার বয়স ২১ হলে সম্পূর্ণ টাকাটি তুলতে পারবেন।

জাগো প্রকল্পে কীভাবে আবেদন জানাবেন?
১) আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
২) আবেদনকারীকে ১৮ বছরের বেশি হতে হবে
৩) আবেদনকারীকে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য হতে হবে এবং ওই গোষ্ঠী কমপক্ষে 1 বছরের পুরোনো হতে হবে।

কৃষক বন্ধুদের টাকা দেওয়া শুরু হলো, পিএম কিষাণ প্রকল্পে কে কে টাকা পেলেন, চেক করুন।

৪) আবেদনকারীর স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি কমপক্ষে 6 মাসের বেশি হতে হবে
৫) আবেদন জানানোর পূর্বে ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ঋণ নেওয়ার রেকর্ড থাকতে হবে
৬) আবেদনকারীকে নিজের ব্লক অফিসে গিয়ে যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য তিনি সেই গোষ্ঠী সম্পর্কিত যাবতীয় নথি জমা করে আবেদন জানাতে হবে। অথবা হেল্প লাইন নম্বরের মাধ্যমে আবেদন জানানো যাবে।
সেভিংস স্কিম এবং আরও এই ধরনের খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে।
Written by Jayashree Chatterjee.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

string(104) ""