শিক্ষা

Boading school – স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিরাট ঘোষণা, পেতে পারেন 2 লাখ টাকা, কিভাবে?

Adv

শিক্ষাই জীবনের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার দ্বারাই সমাজ উন্নত করা যায়, নারীদের ক্ষমতায়ন সম্ভব। সবাই তার সন্তানদের স্কুল আবার Boading school এ ও ভর্তি করেন অনেক বাবা মা। কিন্তু অনেক পরিবারই আছে, ইচ্ছে থাকলেও সন্তানদের উচ্চশিক্ষা দিতে পারেন না, কেবলমাত্র অর্থের অভাবে। সেই সকল পড়ুয়াদের সাহায্যর্থে যেমন বর্তমানে সরকারি বেসরকারি নানা স্কলারশিপ (ঐক্যশ্রী, ওয়েসিস ইত্যাদি) রয়েছে। তেমনই দেশে এমন অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

এই Boading school এ আবেদন করবেন কিভাবে?

আজকে সেমনই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে জানানো হবে, সেখানকার পড়ুয়াদের জন্য অভিভাবকদের 1 টাকাও খরচ করতে হয় না। বরং বার্ষিক 2 লাখ টাকা করে দেওয়া হয়ে থাকে। তবে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এ রাজ্যে নয়। দৈনিক ভাস্করের রিপোর্ট অনুসারে, স্কুলের নাম ‘শ্রীমদ যশোবিজয়জি জৈন সংস্কৃত পাঠশালা’। যেটি গুজরাটের মেহসানায় রয়েছে।

Ad

মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা চেক নিয়ে বড় গণ্ডগোল! কোন সমস্যার মুখে শিক্ষক-শিক্ষিকারা?

এই পাঠশালার প্রথম ছাত্র ছিলেন যোগনিষ্ঠ শ্রীবুদ্ধিসাগর সুরীশ্বরজী মহারাজ। যেটি ১২৫ বছরের পুরনো সংগঠন। ১৮৯৭ সালের অক্টোবর মাসে সুরীশ্বরজী মহারাজ এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এই পাঠশালায় প্রায় ২৮৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছেন। প্রকাশভাই পণ্ডিত (পাঠশালার সদস্য) জানান, প্রতি বছর ৩০ জন শিক্ষার্থী সেখানে ভর্তি হন।

Boading school এ কত টাকা প্রদান করা হয়?
স্কুলে ৬ বছর পর্যন্ত শিক্ষার্থীর জন্য খাবার, বাসস্থান থেকে শুরু করে অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করা হয়, তাও বিনামূল্যে। শিক্ষা প্রদানের সময়, Boading school এর শিক্ষার্থীদের মাসিক 5 হাজার টাকা প্রদান করা হয়। যে সকল পড়ুয়ারা 4 বছরে শিক্ষা সম্পন্ন করে থাকেন, তাদের 1 লাখ টাকা এবং যারা 6 বছরে শিক্ষা সম্পন্ন করবে তাদের 2 লাখ টাকা দেওয়া হয়।

Boading school থেকে পড়ার পর পড়ুয়ারা বর্তমানে গুজরাট, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে বসতি স্থাপন করেছেন।
এছাড়া বর্তমানে একটি নতুন জৈন সংস্কৃত স্কুল তৈরির কাজ চলছে। যেটি মেহসানা-আমেদাবাদ হাইওয়ের লিঞ্চ গ্রামের কাছে তৈরি করা হবে। এই স্কুলের জন্য প্রায় 13 কোটি টাকা খরচ হতে পারে।

এখনো ন্যাশনাল স্কলারশিপে আবেদন করেননি? এই সুযোগ আর পাবেন না।

স্কুল চত্বরেই জৈন মন্দির তৈরি করা হবে। এই স্কুলে ১০০ জন পড়ুয়াকে ভর্তি করা যাবে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো বই এবং সরঞ্জাম দেওয়া হবে। পাশাপাশি হোস্টেল ও ক্যান্টিনের সুবিধা থাকবে। তবে ঋষিদের জন্য ভিন্ন হোস্টেল নির্মাণ হবে।
এই সংক্রান্ত খবরের নতুন আপডেট সবার আগে পেতে হলে এই ওয়েবপোর্টালটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

string(109) ""