পশ্চিমবঙ্গের খবর

বাংলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা ও ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা পার! বৃষ্টির আশা ছেড়ে দিন

সপ্তাহের শুরু থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় দেখা দেবে প্রবল গরমের চাপ সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার অর্থাৎ ২২ শে এপ্রিল থেকে রাজ্যে ফের শুরু হচ্ছে তাপপ্রবাহের প্রকোপ। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুতে পারে বা বিগত বছর গুলোর রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনা তুঙ্গে।

পশ্চিমবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

এই গরমে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা যেমন বাড়ছে, তেমনি খারাপ খবর আছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও প্রায় না থাকার ব্যাপারে। চলুন দেখে নিই, এই সময়ের বাংলার আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে, দক্ষিণবঙ্গে দিনের তাপমাত্রা ৩৯ – ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুতে পারে, উত্তরবঙ্গেও গরম অনুভূত হলেও তুলনা মূলকভাবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির।

তাপপ্রবাহের জন্য কারা পড়বেন বেশি সমস্যায়?

শিশু ও বয়স্করা গরমের সময় শরীর দ্রুত জল হারায়। শিশু ও প্রবীণদের শরীর এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না, ফলে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি এবং এরই সঙ্গে বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় কাজ করলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বে এবং শরীরে জলের শূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই এই সকল মানুষদের সতর্ক থাকতে হবে।

গরমের মধ্যে সতর্কতা

  • হালকা সুতির পোশাক পরুন
  • পর্যাপ্ত জল পান করুন
  • দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টার মধ্যে রোদে বের না হওয়াই ভালো

বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম

  1. কীভাবে এই গরমে সুস্থ থাকবেন?
  2. জল, লেবুর শরবত, দই, ফল মূল ও হালকা খাবার খান
  3. চা কফি কম খান, কারণ এই গুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট করে
  4. বাড়ির ছাদ বা গ্যারেজে কাজ করার সময় ছায়া ব্যবহার করুন
  5. প্রয়োজনে ছাতা বা টুপির ব্যবহার করুন
  6. যতটা সম্ভব ঘরের ভিতর থাকুন

পশ্চিমবঙ্গে বাংলা আবাস যোজনা কিস্তির টাকা নিয়ে বড় আপডেট

সমাজে কি প্রভাব পড়বে?

তাপপ্রবাহের প্রকোপে জমির মাটি শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে যেই সব এলাকায় সেচের ব্যবস্থা কম। এই সময় রবি শস্যের শেষ পর্যায়ের পরিচর্যার সময়, তাই কৃষকদের বাড়তি নজর দিতে হবে সেচ ব্যবস্থার দিকে। তাপপ্রবাহের কারণে কিছু জেলায় স্কুল বন্ধ রাখার কথা ভাবা হতে পারে। ইতি মধ্যেই কিছু জেলা প্রশাসন বিকল্প চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে, বিশেষ করে প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে।

Related Articles