অর্থনীতি

Bank KYC কেন করা জরুরি? না করলে আপনার টাকার কি হবে? বাঁচতে হলে কি করবেন?

Adv

দেশের প্রতিটি ব্যাংক গ্রাহকদের Bank KYC করা বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। KYC এর পুরো নাম Know your Customer. এখন প্রতিটি Bank KYC জমা করতে হচ্ছে না হলে ব্যাংকের বই বন্ধ করে দেবে ব্যাংক। কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে KYC জমা দেওয়ার জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে ওঠে গ্রাহকরা। এই নিয়ে ব্যাংকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগ্রে দেন অনেকে। প্রশ্ন উঠতে থাকে কেন বারবার KYC সংক্রান্ত নথি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

Why Bank KYC Is So Important.

আর এদিকে Bank KYC নথি জমা না দিলে একাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয় আর তার কিছু দিন পর পুরো একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। আজ আপনাদের সাথে KYC নিয়েই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনাদের জানাটা খুব দরকার। এই ধরণের নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়াটা খুবই জরুরি।

Why You Submit Bank KYC Documents?

এই ব্যাপারে জানতে গেলে আপনাদের জন্তে হবে Bank KYC কি? প্রতিটি ব্যাংক অসংখ্য গ্রাহক নিয়ে কাজ করে। ফলে প্রত্যেক গ্রাহককে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে এবং তার সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য নিজেদের কাছে রাখতে এই KYC ব্যবস্থা প্রচলন করা হয়েছে। তবে KYC ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হল একজন গ্রাহকের পরিচয় পত্র সঠিকভাবে যাচাই করে তাকে চিহ্নিত করা।

আপনি যখন ব্যাংকে গিয়ে নতুন একাউন্ট খুলবেন তখন KYC প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হয়। এই জন্য সে সময় আধার কার্ড (Aadhaar Card), প্যান কার্ড (PAN Card), ভোটার কার্ড (Voter ID Card), পাসপোর্ট সাইজ ছবি দিয়ে গোটা প্রক্রিয়া সারেন গ্রাহকরা। কিন্তু কিছুদিন অন্তর অন্তর আবার Bank KYC Documents করার জন্য একি নথি জমা দেওয়ার কথা বলে ব্যাংক গুলো। আর এই নিয়ম নিয়েই রীতিমত বিরক্ত হন গ্রাহকরা।

কিন্তু এই বারবার Bank KYC নথি আপডেট করার পেছনে নির্দিষ্ট কারন আছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকটি KYC নথির একটি নির্দিষ্ট সময় সীমা থাকে। কারণ গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্তই সে গুলো ব্যাংককে ব্যবহার করার ছাড়পত্র দিয়ে থাকেন। এরপর তাই আবার নিয়ম মেনে গ্রাহকদের KYC সংক্রান্ত নথি জমা দিতে বলা হয়। এবার যারা এই নির্দেশ মানেন না তাদের একাউন্ট KYC বিহীন হয়ে পড়ে।

SBI Personal Loan (স্টেট ব্যাংক পার্সোনাল লোন)

If You Dont Submit Bank KYC Document What Will Happen

আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্ট (Bank Account KYC) খোলার সময় নিশ্চই আপনাকে KYC সংক্রান্ত নথি দিতে বলা হয়েছিল এবং আপনি তা জমাও দেন। কিন্তু বছর খানেক পর আবার ব্যাংক আপনাকে KYC সংক্রান্ত নথি জমা দিতে বলে যাকে পোশাকি ভাষায় বলে KYC আপডেট। এবার আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে KYC আপডেট না করেন তাহলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড করা হবে।

এই কার্ড থাকলেই প্রতিমাসে 3000 টাকা পাবেন। কারা ও কিভাবে এই কার্ড পাবেন?

আপনার একাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এবার তারপরে আপনি যদি আপনার Bank KYC নথি জমা দেন তাহলে সেই লেনদেন আবার চালু হয়ে যাবে। কিন্তু কোনো গ্রাহক যদি একাউন্ট সাসপেন্ড করার পর ও নথি জমা না দেন তাহলে তার একাউন্ট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই অধিকার ব্যাংকের আছে। তাই আগে থেকেই সাবধান হয়ে যান। যারা এখনো করেননি করে ফেলুন Bank KYC Update.
Written by Ananya Chakraborty.

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিরাট সুখবর। রিজার্ভ ব্যাংকের নতুন নিয়মে সবার সুবিধা হলো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

string(100) ""