অর্থনীতি

Public Provident Fund – অ্যাকাউন্টে 7.1% থেকে সুদের হার বেড়ে কত হচ্ছে? বিশদে জানুন।

Adv

কথায় আছে আগে আয় তারপর ব্যয়। তার মাঝেও একটা বিষয় থাকে তা হল সঞ্চয়। সঞ্চয় বুঝেই ব্যয় করা প্রয়োজন, এমনটা বিশেষজ্ঞদেরও মত। অনেক অফিসে Public Provident Fund রয়েছে কর্মীদের সঞ্চয়ে সাহায্যের জন্য। কিন্তু সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে কোন বিষয় জানা আবশ্যক। কিংবা কোথায় বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে মিলবে মোটা হারে সুদ। যাতে করে প্রয়োজনে সমস্যায় পড়তে হবে না। বিশদে জেনে নিই। পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF), নাম তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু বিশদে অনেকেই জানেন না।

Public Provident Fund কত বাড়ছে সুদ?

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সাধারণ মানুষের আর্থিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক যোজনা বা স্কিম চালু করা হয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম। বর্তমানে ২০২০ সালের এপ্রিল মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত সুদের হার একই রয়েছে। যদিও Public Provident Fund অ্যাকাউন্টে চক্রবৃদ্ধি হারে বা কম্পাউন্ড ইন্টারেস্টে বার্ষিক সুদ দেওয়া হয়। বর্তমানে এই সুদের হার ৭.১ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকার পিপিএফ অ্যাকাউন্টের সুদের হার প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর পর্যালোচনা করে এবং প্রয়োজনে পরিবর্তনও করে।

Ad

পরিবারে কন্যাসন্তান থাকলেই SBI দেবে 15 লক্ষ টাকা, কিভাবে এই সুবিধা নিতে হবে? Sukanya Samriddhi Yojana.

এবার কি সুদের হার পরিবর্তন করা হবে? সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, PPF অ্যাকাউন্টে এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত সুদের হার পরিবর্তন করা হতে পারে। PPF অ্যাকাউন্টে টাকা বিনিয়োগে কি কি সুবিধা পাওয়া যায়?
১) Public Provident Fund এ কত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়?
বিনিয়োগকারী প্রতি মাসে ৫০০ টাকার উপরে বা সর্বোচ্চ ১২,৫০০ হাজার টাকার নীচে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যাবে।

২) বিনিয়োগের মেয়াদ?
ব্যক্তি ১৫ বছরের জন্য এই অ্যাকাউন্টে টাকা বিনিয়োগ করতে পারবেন।
এছাড়া অন্যান্য সুবিধা-
১) ব্যক্তি নিজের PPF অ্যাকাউন্ট থেকে প্রয়োজন অনুসারে লোন বা ঋণ নিতে পারবেন।
২) নাবালকদের জন্যও ওপেন করা যাবে এই অ্যাকাউন্ট।
৩) আয়করের ৮০সি ধারা অনুসারে বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন।

Public Provident Fund কিভাবে ওপেন করা যাবে অ্যাকাউন্ট?
যে কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বা পোস্ট অফিসের সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকলেই পিপিএফ অ্যাকাউন্ট ওপেন করা যাবে। উল্লেখ্য, অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র হিসেবে বিনিয়োগকারীর আধার কার্ড, প্যান কার্ড, একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইত্যাদি লাগবে। অ্যাকাউন্টে যে পরিমাণ টাকা বিনিযোগ করবেন, তা নির্দিষ্ট দিনেই জমা করতে হবে।

অনলাইনে বাড়িতে বসে দিনে 2 ঘন্টা কাজ করে নিজের খরচ নিজে রোজগার করুন।

আরো বিশদে জানতে হলে নিকটবর্তী ব্যাংক বা পোস্ট অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। কিংবা অনলাইনে চেক করতে পারবেন।
Public Provident Fund সংক্রান্ত খবরের নতুন আপডেট সবার আগে পেতে হলে এই ওয়েবপোর্টালটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

string(108) ""